সফল অনুষ্ঠানের পিছনে ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ
— উপাচার্য প্রফেসর ড.মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন
স্থায়ী সনদ প্রাপ্ত সিলেটের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটির ৪র্থ সমাবর্তন ২০২৬ পরবর্তী সমাবর্তন ভলান্টিয়ারদের সনদ প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (০৭ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যালারি-১ এ লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন ৪র্থ সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা ভলান্টিয়ার হিসেবে সহযোগিতা করেছেন তাদেরকে সার্টিফিকেট প্রদান করেছেন। এসময় তিনি অনুষ্ঠানে সফল হওয়াতে ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বলেন, সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে লিডিং ইউনিভার্সিটির ৪র্থ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হওয়ায় সমাবর্তন সভাপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ভূয়সী প্রশংসা করেছেন, সেই প্রশংসার বহুল অংশে ভলান্টিয়ারদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভলান্টিয়ারদের সর্বাত্বক সহযোগিতায় অনুষ্ঠান সফল হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সমাবর্তনে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ এবং দেশ ও দেশের বাইরে থেকে আগত লিডিং ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাইগণও। সার্টিফিকেট প্রাপ্তিটা মূখ্য বিষয় নয়, দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে ভলান্টিয়ারদের যে লিডারশিপ এবং মানবিক গুণাবলি প্রদর্শিত হয়েছে সেটাকেই মুল্যায়ন করা হয়ছে বলে উল্লেখ করে তিনি শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করন।
লিডিং ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. শামিমুল ইসলামের উপস্থাপনায় সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠানে ভলান্টিয়ারদের মধ্য থেকে অনুভূতি প্রকাশ করেন লিডিং ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আসিফুর রহমান দিপু এবং ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী সৈয়দা সালসাবিল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে লিডিং ইউনিভার্সিটির আধুনিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কামরুজ জামান ভূঁইয়া, কলা ও আধুনিক ভাষা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম, ভলান্টিয়ার মনিটরিং সাব কমিটির আহবায়ক ও ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মিসেস শাম্মী আক্তার, লিডিং ইউনিভার্সিটির বিএনসিসির উপদেষ্টা ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারি অধ্যাপক জাফর আহমেদ লিমন, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মিসেস জয়নব সরকার এবং ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক নাদিয়া সুলতানা ডেইজি উপস্থিত ছিলেন।


